Wellcome to National Portal
জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৭ মে ২০২২

চলমান কার্যক্রমসমূহ

প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রের মাধ্যমে বিনামূল্যে থেরাপিউটিক  (Early Intervention) সেবা প্রদান:

 

দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীকে থেরাপিউটিক সেবা প্রদানের লক্ষ্যে দেশের ৬৪টি জেলা ও ৩৯টি উপজেলায় মোট ১০৩টি প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র চালু করা হয়। এ সকল কেন্দ্রসমূহ হতে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের অটিজমসহ অন্যান্য প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীকে বিনামূল্যে থেরাপিউটিক, কাউন্সেলিং ও রেফারেল সেবা এবং সহায়ক উপকরণ প্রদান করা হচ্ছে। উক্ত কেন্দ্রের মাধ্যমে এপ্রিল ২০২২ পর্যন্ত নিবন্ধিত সেবা গ্রহীতার সংখ্যা ৬,৫৭,১০৩ জন ও মোট প্রদত্ত সেবা সংখ্যা (Service Transaction) ৮৯,০৯,৮৯৬ টি।

২ এপ্রিল ২০১০ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র শীর্ষক কর্মসূচি উদ্বোধন করেন। এ কর্মসূচি পর্যায়ক্রমে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত সম্প্রসারণ করার লক্ষ্যে ১০৩টি কেন্দ্রের পাশাপাশি প্রথম পর্যায়ে ২১১টি উপজেলায় প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র স্থাপনের কার্যক্রম চলমান আছে।

 

  ভ্রাম্যমাণ ওয়ান স্টপ থেরাপি সার্ভিস (মোবাইল ভ্যান এর মাধ্যমে):

দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠী এবং প্রতিবন্ধিতার ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের ৪০টি মোবাইল থেরাপি ভ্যানের মাধ্যমে বিনামূল্যে থেরাপিউটিক সেবা প্রদান করা হচ্ছে। ৪০টি মোবাইল থেরাপি ভ্যানের মাধ্যমে এপ্রিল ২০২২ পর্যন্ত বিনামূল্যে নিবন্ধিত থেরাপিউটিক সেবা গ্রহিতার সংখ্যা ৩,৯৬,৭৫৪ জন এবং প্রদত্ত সেবা সংখ্যা (Service Transaction) ১০,৩০,৩৯০টি।

 

বিনামূল্যে সহায়ক উপকরণ বিতরণ:

১০৩টি প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রের মাধ্যমে এপ্রিল-২০২২ পর্যন্ত ৬০,৩৪২টি সহায়ক উপকরণ (কৃত্রিম অংগ, হুইল চেয়ার, ট্রাইসাইকেল, ক্রাচ, স্ট্যান্ডিং ফ্রেম, ওয়াকিং ফ্রেম, সাদাছড়ি, এলবো ক্র্যাচ, আয়বর্ধক উপকরণ হিসেবে সেলাই মেশিনসহ) প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে।

 

  বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় পরিচালনা:

প্রতিবন্ধিতা সম্পর্কিত সমন্বিত বিশেষ শিক্ষা নীতিমালা-২০১৯ এর আওতায় সর্বমোট ৭৪ টি বিশেষ স্কুলের শিক্ষক/কম©চারীর ১০০% বেতন-ভাতা জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সরকার কর্তৃক পরিশোধ করা হচ্ছে। বর্তমানে উক্ত স্কুলসমূহে ৯১৪ জন শিক্ষক/কর্মচারী এবং ১১৬৫০ জন ছাত্র/ছাত্রী রয়েছে।

 

স্পেশাল স্কুল ফর চিলড্রেন উইথ অটিজম পরিচালনা:

অক্টোবর, ২০১১ সালে ফাউন্ডেশন ক্যাম্পাসে একটি সম্পূর্ণ অবৈতনিক স্পেশাল স্কুল ফর চিলড্রেন উইথ অটিজম চালু করা হয়। পরবর্তীতে ঢাকা শহরে মিরপুর, লালবাগ, উত্তরা ও যাত্রাবাড়ী, ৬টি বিভাগীয় শহরে ৬টি (রাজশাহী, খুলনা, চট্টগ্রাম, বরিশাল, রংপুর ও সিলেট) এবং গাইবান্ধা জেলায় ১টি এবং বিশ্বনাথ উপজেলায় ১টি সহ মোট ১২টি স্কুল চালু করা হয়েছে। উক্ত স্কুলগুলোতে অটিজম ও এনডিডি সমস্যাগ্রস্থ শিশুদের অক্ষর জ্ঞান, সংখ্যা, কালার, ম্যাচিং, এডিএল, মিউজিক, খেলা-ধূলা, সাধারণজ্ঞান, যোগাযোগ, সামাজিকতা, আচরণ পরিবর্তন এবং পুনর্বাসন ইত্যাদি বিষয়ে শিক্ষা প্রদান করা হয়। এসব স্কুলে চলতি শিক্ষাবর্ষে মোট ১৫০ জন অটিজম সমস্যাগ্রস্থ শিশু বিনামূল্যে লেখাপড়া করার সুযোগ পাচ্ছে।

 

অটিজম রিসোর্স সেন্টার:    

জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন ক্যাম্পাসে ২০১০ সালে একটি অটিজম রিসোর্স সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হয়। উক্ত সেন্টার থেকে অটিজম বৈশিষ্ট সম্পন্ন শিশু ও ব্যক্তিবর্গকে বিনামূল্যে নিয়মিত বিভিন্ন ধরণের থেরাপি সেবা, গ্রুপ থেরাপি, দৈনন্দিন কার্যবিধি প্রশিক্ষণসহ রেফারেল ও অটিজম সমস্যাগ্রস্থ শিশুদের পিতা-মাতাদের কাউন্সেলিং সেবা প্রদান করা হচ্ছে। ২০১০ সালে চালু হওয়ার পর থেকে এপ্রিল-২০২২ পর্যন্ত অটিজম সমস্যাগ্রস্থ শিশু ও ব্যক্তিকে বিনামূল্যে ২৬,৩২০টি ম্যানুয়াল ও Instrumental থেরাপি সেবা প্রদান করা হয়েছে।

 

    সেবাসমূহঃ

  • অকুপেশনাল থেরাপি
  • স্পিচ এ্যান্ড ল্যাংগুয়েজ থেরাপি
  • ফিজিওথেরাপি
  • কাউন্সেলিং
  • গ্রুপ থেরাপি প্রদান
  • দৈনন্দিন কার্যবিধি প্রশিক্ষণসহ রেফারেল সেবা প্রদান
  • অটিস্টিক শিশুদের পিতা-মাতাদের কাউন্সেলিং সেবা প্রদান।

 

অটিজম ও এনডিডি কর্ণার সেবা:

Early Screening, Detection, Assessment ও Early Intervention নিশ্চিত করার জন্য জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের আওতায় পরিচালিত ১০৩টি প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রে একটি করে অটিজম ও নিউরো ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী (এনডিডি) কর্নার স্থাপন করা হয়েছে। উক্ত ১০৩টি কেন্দ্র হতে অটিজম সমস্যাগ্রস্থ শিশু/ব্যক্তিদের নিম্নোক্ত সেবা প্রদান হচ্ছে:

  • সনাক্তকরণ
  • ফিজিওথেরাপি
  • অকুপেশনাল থেরাপি
  • স্পিচ এ্যান্ড ল্যাংগুয়েজ থেরাপি
  • অডিওমেট্রি
  • অপটোমেট্রি
  • সাইকো সোস্যাল কাউন্সেলিং
  • গ্রæপ থেরাপির মাধ্যমে খেলাধুলা ও প্রশিক্ষণ
  • অভিভাবকদের কাউন্সেলিং।

 

অনুদান ও ঋণ কার্যক্রম:

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়নে অনুদান/ঋণ নীতিমালা অনুযায়ী ফাউন্ডেশনের কল্যাণ তহবিল থেকে  প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিয়ে কর্মরত বেসরকারি সংস্থার মাঝে প্রায় ১৬ কোটি টাকা অনুদান ও ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। কোভিট-১৯ কালীন পরিস্থিতিতে জুলাই-২০২১ মাসে ২৬৯ টি বেসরকারি সংস্থার অনুকূলে ১ কোটি ৫২ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করা হয়েছে।

 

ব্যক্তি পর্যায়ে আর্থিক অনুদান কার্যক্রম:

প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর জীবন মান উন্নয়ন ও পুর্নবাসনের লক্ষ্যে ৪৭৫ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে মোট ২৫ লক্ষ টাকা  অনুদান প্রদান করা হয়েছে।

 

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কর্মসংস্থান মেলা (Job Fair) আয়োজন:

জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর তত্ত্বাবধানে ২০১৬ সালে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে ও ২০১৮ সালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে দুই দিনব্যাপী প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কর্মসংস্থান মেলার আয়োজন করা হয়। ২০১৬ সালে ৪০ জন এবং ২০১৮ সালে ৬৫ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিকভাবে চাকরি প্রদান করা হয়। ফাউন্ডেশনের Job Placement শাখা হতে তাদের নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। কোভিড-19 পরিস্থিতিতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কর্মসংস্থান মেলার কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে।

 

দক্ষতা বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণঃ

অটিজমসহ অন্যান্য প্রতিবন্ধিতা বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করে তোলার লক্ষ্যে ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রে কর্মরত জনবলকে দক্ষ করে গড়ে তোলার জন্য পর্যায়ক্রমে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক্ষ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, এ পর্যন্ত ৫২৬১ জনকে অভ্যন্তরীণ ও ২১৫ জনকে বৈদেশিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।   

 

কর্মজীবী প্রতিবন্ধী পুরুষ ও মহিলা হোস্টেল:

 

চাকুরী প্রত্যাশি ও কর্মক্ষম প্রতিবন্ধী মানুষের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে ফাউন্ডেশন ক্যাম্পাসে ২০ আসন বিশিষ্ট ১টি পুরুষ ও ২০ আসন বিশিষ্ট ১টি মহিলা হোস্টেল চালু করা হয়েছে।  এ পর্যন্ত উপকারভোগীর সংখ্যা ৪০০ জন।

    

পিতৃ-মাতৃহীন প্রতিবন্ধী শিশু নিবাস:

জাতীয় জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন ক্যাম্পাসে ফাউন্ডেশনের সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে 28 আসন বিশিষ্ট সেরিব্রাল পলসি (সিপি) শিশুর লালন পালন, শিক্ষা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য একটি প্রতিবন্ধী শিশু নিবাস চলমান আছে।

 

বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবস উদযাপন:

জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে  গত ১৫ অক্টোবর ২০২১ তারিখে বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবস সরকারিভাবে যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন করা হয়। এ উপলক্ষ্যে শোভাযাত্রা, আলোচনা অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে ১০০ জন মেধাবী দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ছাত্র-ছাত্রীর মধ্যে প্রত্যেক-কে ৫০০০/- (পাঁচ হাজার টাকা) করে মোট ৫(পাঁচ) লক্ষ টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে।

 

বাংলা ইশারা ভাষা দিবস পালন:

 জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন চত্তরে ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে বাংলা ইশারা ভাষা দিবস সরকারিভাবে উদযাপন করা হয়। এ দিবসে ফাউন্ডেশন থেকে ২০ জন মেধাবী বাক-প্রতিবন্ধী ছাত্র-ছাত্রীকে ৫,০০০ টাকা করে ১ লক্ষ টাকা অনুদান ও সম্মাননা সনদ প্রদান করা হয়।

 

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস এবং বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস উদযাপন:

জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন প্রতিবছর জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস এবং বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় সরকারি ও বেসরকারী সহায়তায় আড়ম্বরপূর্ণ পরিবেশে উদযাপন করা হয়। ২০২1 সালে করোনার প্রভাব ও বৈশ্বয়িক মহামারির কারণে ৩০তম আন্তর্জাতিক ও ২৩তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস সংক্ষিপ্ত পরিসরে উদযাপন করা হয়।

 

জাতীয় প্রতিবন্ধী কমপ্লেক্স (সুবর্ণ ভবন):

প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ঢাকার মিরপুর-১৪ এ ১৫তলা বিশিষ্ট অত্যাধুনিক জাতীয় প্রতিবন্ধী কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হয়েছে। গত ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ভবনটি উদ্বোধন করেন যা বর্তমানে সুবর্ণ ভবন নামে নামকরণ করা হয়েছে। উক্ত প্রতিবন্ধী কমপ্লেক্স অটিজমসহ অন্যান্য বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের ডরমিটরি, অডিটরিয়াম, ফিজিওথেরাপি সেন্টার, শেল্টারহোম, ডে-কেয়ার সেন্টার, বিশেষ স্কুল ইত্যাদির সংস্থান রাখা হয়েছে। বর্তমানে সুবর্ণ ভবনে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

 

বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিদের  ক্রীড়া কমপ্লেক্স:

প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন এবং ক্রীড়াক্ষেত্রে তাঁদের পারদর্শিতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিশেষ চাহদা সম্পন্ন ক্রীড়াবিদদের জন্য ক্রীড়া কমপ্লেক্স স্থাপনের নিমিত্ত সাভার উপজেলাধীন বারইগ্রাম ও দক্ষিণ রামচন্দ্রপুর মৌজার ১২.০১ একর জমিতে ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মানের জন্য গণপূর্ত অধিদপ্তর কর্তৃক ৪৪7 কোটি ৫৪ লক্ষ ৭ হাজার টাকার প্রাক্কলন সম্পন্ন একটি ডিপিপি প্রণয়ন করা হয়েছে। উক্ত ডিপিপি ১৬/০৩/২০২১ তারিখ একনেকে অনুমোদিত হয়। গত ২৬/০৮/২০২১ তারিখ একনেক কর্তৃক ‘বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যাক্তিদের জন্য ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণ” শীর্ষক প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন জারী করা হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদ এপ্রিল ২০২১ হতে ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত ধার্য করা হয়েছে। ১৪/১০/২০২১ তারিখ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রকল্প নিমা©ণ কাজ করার জন্য লেবারসেড নিমা©ণ করা হয়েছে এবং ১৭টি স্পটে মৃত্তিকা পরীক্ষার জন্য বোরিং করা হয়েছে। প্রকল্পের পিআইসি সভা গত ২৪ নভেম্বর ২০২১ তারিখ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলমান রয়েছে।

বিপনন ও প্রদর্শণী কেন্দ্র স্থাপন:

 

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের দ্বারা উৎপাদিত পন্যসামগ্রী প্রদর্শন, বিপনন ও বাজারজাতকরণের লক্ষ্যে সুবণ© ভবনের নীচতলায় একটি বিপনন ও প্রদর্শনী কেন্দ্র স্থাপন করার কার্যক্রম চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। অতিশীঘ্রই বিপনন ও প্রদর্শনী কেন্দ্রটি চালু করা হবে।

 

সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলার আমতৈল গ্রামের প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়ক উপকরণ, আর্থিক অনুদান ও থেরাপি সেবা প্রদানঃ

       

  • জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক আমতৈল গ্রামের সকল প্রতিবন্ধী ব্যক্তির মধ্যে প্রতিবন্ধিতার ধরণ অনুযায়ী সর্বমোট ১০৫ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে সহায়ক উপকরণ প্রদান করা হয়।

 

  • জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন হতে আমতৈল গ্রামের প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে পরিবার প্রতি 20,000/- টাকা করে 50 টি পরিবারকে সর্বমোট 10,00,000/- (দশ লক্ষ) টাকা অনুদান বিতরণ করা হয়। বিগত ১1.১০.২০২০ তারিখ সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে সচিব মহোদয় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে উক্ত অর্থ ‍বিতরণ করেন।

 

  • আমতৈল গ্রামের প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের থেরাপি সেবা প্রদানের নিমিত্ত উক্ত গ্রামের জনৈক হাজী চমক আলীর বাড়ীতে একটি থেরাপি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। উল্লেখ্য, জনাব হাজী চমক আলী তাঁর বাড়ীর ২টি কক্ষ এজন্য বিনামূল্যে ব্যবহারের সুযোগ প্রদান করেছেন। সপ্তাহে 02 দিন বিনামূল্যে আমতৈল গ্রামের প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের এ কেন্দ্র থেকে থেরাপি সেবা প্রদান করা হয়।

 

  • আমতৈল গ্রামে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শিক্ষণ/প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে একটি ‘স্পেশাল স্কুল ফর চিলড্রেন উইথ অটিজম’ চালু করা হয়েছে। বর্তমানে ঐ স্কুলে ১১ জন অটিজম সমস্যাগ্রস্ত শিশু লেখা-পড়া করছেন।

Share with :

Facebook Facebook